স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ

স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ

SHARE
স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ

মানুষ চলে যায়, যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর বুকে দাড়িয়ে থাকা ভাস্কর্যগুলো জানিয়ে দেয় মানুষের শিল্প আর সৌন্দর্য্যের কথা। ইতিহাসের কথা স্মৃতির কিনারায়। অনেক গুনি শিল্পির স্বপ্ন আর ভালবাসায় গড়া অসংখ্য স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্য রয়েছে সারা বাংলাদেশ জুড়ে| চলুন জেনে নিই স্মৃতিসৌধগুলো সম্পর্কে:

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখে ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয় ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি’। মিনারের নকশা করেন হামিদুর রহমান| ভাষা শহীদদের স্বরণে নির্মিত এ মিনার আমাদের গর্ব।

স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ‘শহীদ বুদ্ধীজীবী স্মৃতিসৌধ’। স্থপতি মোস্তফা হারুন কুদ্দুস (হিলি)। স্মৃতিসৌধ’ টি উদ্বোধন করা হয় ১৯৭১ সালে ২২ ডিসেম্বর।

স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

রাজারবাগ স্মৃতিসৌধ:
এটি ঢাকার রাজারবাগে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটি ১৯৯০ সালের ২৬ শে মার্চ সাবেক রাষ্ট্রপতি হুশেইন মুহম্মদ এরশাদ উদ্বোধন করেন।

সোপার্জিত স্বাধীনতা:
স্বাধীনতা ও সংগ্রামের প্রতীক স্বোপার্জিত স্বাধীনতা। এটির অবস্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি’র নিকটে। স্থপতি শামীম সিকদারের স্থাপনা এটি।

অপরাজেয় বাংলা:
অপরাজেয় বাংলার অবস্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের চত্ত্বরে। ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয় ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর। ভাস্কর্যটিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলার নারী পুরুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের প্রতীক। ভাস্কর্যটির স্থপতি আবদুল্লাহ খালেদ|

স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ
অপরাজেয় বাংলা

তিন নেতার স্মৃতিসৌধ:
‘তিন নেতার স্মৃতিসৌধ’ টি অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্ত্বরে এবং ঢাকা ময়মনসিংহ গেটের সন্নিকটে।স্থপতি মাসুদ আহম্মেদ।তিন নেতারা হলেনঃ

  • শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক।
  • হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
  • খাজা নাজিমুদ্দীন।
স্মৃতিতে ভাস্বর স্মৃতিসৌধসমূহ
জাগ্রত চৌরঙ্গী স্মৃতিসৌধ

জাগ্রত চৌরঙ্গী স্মৃতিসৌধ:
ঢাকার অদুরে গাজিপুরে অবস্থিত জাগ্রত চৌরঙ্গী স্মৃতিসৌধ। স্বাধীনতার মূর্ত প্রতিক এ সৌধটি| সৌধটির স্থপতি আবদুর রাজ্জাক। নির্মিত হয় ১৯৭১ সালে। আজ অবধিএতটুকুও ম্লান হয়নি এর সৌন্দর্য্য।