সুন্দরী হওয়ার গোপন তথ্য

সুন্দরী হওয়ার গোপন তথ্য

SHARE
secret bhind beauty

সুন্দর হতে কে না চায়? ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক দেখতে কার না ভালো লাগে। সৌন্দর্যের কদর সর্বত্র। আর সেটা যদি নারী দেহের সৌন্দর্য হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। ফর্সা বা উজ্জ্বল ত্বক নিয়ে তাদের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তাই মসৃণ, সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে যেকোনো কিছু করতে তারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে। আর সেসব সৌন্দর্যপ্রিয় নারীদের জন্য আমরা এনেছি এমন কিছু টিপস যার মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই ঘরে বসে আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারেন। নিচে সেটা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

ঘরোয়া ব্লিচঃ একটি টমেটোর ভিতরে থাকা সবগুলো বীজ আলাদা করে সেগুলো বগড়ে নিয়ে তার সাথে লেবুর রস জোগ করতে হবে। তারপর আলতো করে মুখে লাগান। দেখবেন কয়েকদিনের মধ্যেই আপনার ত্বক ঝলমলে ও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

শসা ও তরমুজের মাস্কঃ শশা ও তরমুজের মাস্ক ব্যাবহার করলে একই সাথে ত্বক পরিস্কার হবে, ক্লান্তি দূর হবে ও উজ্জলতা কেটে যাবে।

প্রোটিন প্রাক দই, কলা, ডিম ইত্যাদি দিয়ে তৈরি প্যাক মুখে দিলে আপনি পাবেন পার্লারের মতো সজীবতা। যা রূপ ও ব্যক্তিত্বকে বহুগুন বাড়িয়ে দিবে।

ওয়াইনঃ এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান যা আপনার ত্বকের বয়স কমিয়ে দিয়ে ত্বকে লাবণ্যতা ফিরিয়ে আনবে। এক বালতি পানিতে  ৫/৮ ফোঁটা ওয়াইন মিশিয়ে তা দিয়ে নিয়মিত গোসল করলে অল্পদিনেই পালতে যাবে আপনার ত্বকের চিত্র।

মধুঃ অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকার কারণে ত্বককে সুন্দর করতে নানাভাবে সাহায্য করে মধু। তাই যদি নরম তুলতুলে, ফর্সা ত্বক পেতে চান, তাহলে প্রতিদিন হালকা গরম পানিতে ১০-১২ চামচ মধু মিশিয়ে গোসল করুন। উপকার পাবেন। প্রসঙ্গত, মধু মিশ্রিত পানিতে গোসল করলে ত্বকের আদ্রতাও বৃদ্ধি পায়। তাই তো যাদের শুষ্ক ত্বক, তারা এই পদ্ধতির সাহায্য নিলে দারুন উপকার পাবেন।

এসেনশিয়াল তেলঃ যেমনটা সকলেরই জানা আছে যে ত্বককে সুন্দর করতে এসেনশিয়াল অয়েলের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। তাই তো পানিতে এই তেল মিশিয়ে গোসল করলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আর যদি কোনও এসেনশিয়াল অয়েল হাতের কাছে না পান, তাহলে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। এক বালতি পানিতে পরিমাণ মতো তেল মিশিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সেই পানি দিয়ে গোসল করতে হবে।

দুধঃ এতে উপস্থিত ভিটামিন এবং প্রোটিন ত্বককে উজ্জ্বল করে। সেই সঙ্গে ত্বকের আদ্রতা বজায় রেখে নানা ধরনের ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়। কতটা দুধ দিয়ে গোসল করতে হবে? এক বালতি হালকা গরম পানিতে ১ কাপ দুধ মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর সেই পানি দিয়ে স্নান করুন।

ওটসঃ ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে ওটমিল বাথের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। পরিমাণ মতো পানিতে কয়েক চামচ ওটস মিশিয়ে যতক্ষণ খুশি গোসল করুন। এমনটা করলে ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের আবরণ সরে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর বা ড্রাই, তারা ওটমিল মেশান পানি দিয়ে গোসল করলে দারুন উপকার পাবেন।

লবণঃ সাধারণ লবণ নয়, গোসলের জন্য ব্যবহৃত লবণ বা বাথিং সল্ট পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়। সেই সঙ্গে ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষ এবং ময়লা ধুয়ে গিয়ে ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে। ২-৩ চামচ বাথিং সল্ট পরিমাণ মতো পানির সঙ্গে মিশিয়ে গোসল করতে হবে।

ঔষধিঃ নরম, মোলায়েম ত্বক পেতে চান? তাহলে প্রতিদিন পানিতে ঔষধি মিশিয়ে গোসল করুন। এমনটা করলে শরীরে রক্তচলাচল বেড়ে যায়। ফলে ত্বক সুন্দর হতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এমন পদ্ধতিতে গোসল করলে ত্বকের পাশপাশি শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

নারকেল তেলঃ যেমনটা আগেও বলেছি পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসল করলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। প্রতিদিন যদি এমনটা করা যায়, তাহলে ত্বক নরম হয়। সেই সঙ্গে স্কিনের প্রদাহ এবং জ্বালাভাবও কমে। প্রসঙ্গত, যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তারা যদি প্রতিদিন নারকেল তেল মেশানো পানিতে গোসল করেন তাহলে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে।

গ্রিন টিঃ এতে রয়েচে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের পাশপাশি চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে। তাই যদি অপরূপ সুন্দরী হয়ে উঠতে চান, তাহলে আজ থেকেই অল্প করে গ্রিন টি মেশানো পানিতে গোসল করা শুরু করুন। প্রসঙ্গত, যেদিন স্ট্রেস খুব বেশি থাকবে, সেদিন গ্রিন-টি দিয়ে গোসল করবেন। দেখবেন মানসিক চাপ নিমেষে কমে যাবে। ইচ্ছা হলে গ্রিন টির জায়গায় মিন্ট টি বা লেবু চাও পানির সঙ্গে মিশিয়ে গোসল করতে পারেন। একই উপকার পাবেন