সিনেপ্লেক্সে এখন গ্যালাক্সির গার্ডিয়ানদের রাজত্ব

সিনেপ্লেক্সে এখন গ্যালাক্সির গার্ডিয়ানদের রাজত্ব

SHARE
Galaxy-Gardian-in-Cineplex

‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ ছবিটি প্রথম মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। সে সময় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল ছবিটি। মুক্তির পর থেকেই এর সিক্যুয়ালের জন্য অপেক্ষা করছিলেন ভক্তরা। অবশেষে ঘটতে যাচ্ছে সেই অপেক্ষার অবসান। গেল ৫ মে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি : ভলিউম ২’। বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঐ একই দিনে অর্থাৎ গত শুক্রবার থেকে গ্যালাক্সির গার্ডিয়ানরা হাজির হয়েছেন বাংলাদেশেও। এদেশের দর্শকদের জন্য ছবিটি মুক্তি দেয়া হয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সের রুপালি পর্দায়। আর তাই সিনেপ্লেক্সে এখন গ্যালাক্সির গার্ডিয়ানদের রাজত্ব-

তবে চমকপ্রদ খবর হলো, এ ছবির ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস টিমে কাজ করেছেন বাংলাদেশের ওয়াহিদ ইবনে  রেজা। মেথড ভিএফএক্স স্টুডিওর ভিএফএক্স প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি।

আগের ছবির মতো এ ছবির পরিচালকও জেমস গান। পরিবর্তন হয়নি অভিনয়শিল্পীদের তালিকাও। যথারীতি রয়েছেন ক্রিস প্র্যাট, জো সালদানা, ভিন ডিজেল, ডেইভ বাতিস্তা, ব্র্যাডলি কুপারের মতো তারকারা। কাহিনীর ধারাবাহিকতায় এবার নতুন মিশনে দেখা গেছে গ্যালাক্সি’র গার্ডিয়ানদের। এ যাত্রায় সুপারহিরোরা আবির্ভূত হন আরও দুধর্ষ ভূমিকায়। গেল ডিসেম্বরে টিজার ট্রেলার উন্মুক্ত হওয়ার পর ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

এর চোখ ধাঁধানো ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস রীতিমত মুগ্ধ করেছে সবাইকে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ট্রেলারটি দেখা হয়েছে ৮  কোটি ১০ লাখ বার। আর এর মধ্য দিয়েই সৃষ্টি হয়েছে নতুন রেকর্ডও। মার্ভেল স্টুডিওসের আর কোনো টিজার  ট্রেলারে এত কম সময়ে এত হিট পড়েনি।

উল্লেখ্য, প্রথম ছবি ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ও বক্স অফিস মাত করেছিলো সে সময়। মুক্তির প্রথম দিন শুধু টিকেট বিক্রি  থেকেই ছবিটি আয় করেছিলো ১ কোটি মার্কিন ডলার। এছাড়া ৩৫৪টি আইম্যাক্স প্রযুক্তির হলে মুক্তি পাওয়ার পর  সেখান থেকে ছবিটি তুলে এনেছে ১০ লাখ মার্কিন ডলার। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ‘গার্ডিয়ান’রা তুলে এনেছে ৯ কোটি মার্কিন ডলার, যা ওই বছর মারভেলের অন্য দুটি ছবি ‘এক্স মেন: ডেইজ অব দ্য ফিউচার পাস্ট’ এবং ‘দ্য অ্যামেইজিং স্পাইডার ম্যান টু’-এর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

এবারেও আশা করা হচ্ছে ছবিটি সাফল্যের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করবে। ট্রেলার প্রকাশের পরই যার আঁচ পাওয়া গেছে। প্রথম ছবিতে পরিচালক জেমস গানের কাজ দেখে রীতিমত নড়ে চড়ে বসেছিলেন সমালোচকরা। ‘রটেন টমেটোস’, ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর মতো নামজাদা সাময়িকীগুলো প্রশংসায় ভাসিয়েছে ছবিটিকে। আর তাই এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই দেখছেন বিশ্লেষকরা।