লেটুস পাতার পুষ্টিগুণ

লেটুস পাতার পুষ্টিগুণ

SHARE
green_lettuce & it's nutrition value

আমাদের দেশে ধীরে ধীরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লাকটুসা স্যাটিজ এল (লেটুস পাতার বৈজ্ঞানিক নাম) বা লেটুস পাতা। কাঁচা ও ভেজে সালাদ হিসেবে খাওয়া যায় এই লেটুস পাতা। এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। চলুন তবে জেনে নেই সে সব কথা-

নিয়মিত লেটুসপাতা খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না ফলে বার্ধক্য আসে দেরিতে। এ পাতায় বিদ্যমান সোডিয়াম ভিটামিন-বি ওয়ান, বি টু থ্রি শরীরের যে কোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে।

লেটুসপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন যা কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনকে বাধা দেয় এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। আর এর ফলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে।

ঠান্ডাজনিত অসুখ যেমন হাঁচি, কাশি, কফ, হাঁপানি ও ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করতে সালাদে প্রতিদিন খেতে পারেন লেটুসপাতা।

ভিটামিন কে এর একটি অন্যতম উৎস হল এই লেটুসপাতা। ভিটামিন কে হাড়ের মেটাবলিজম বাড়ায়। লেটুসপাতা শরীরকে রক্ষা করে দ্রুত হাড় ক্ষয় হওয়া থেকে।

শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা ছিঁড়ে গেলে এ পাতা থেঁতলে ব্যথার স্থানে লাগাল। ব্যথা ভালো হয়ে যাবে।

লেটুসপাতায় ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ওজন সমস্যার সমাধানে এটি বেশ ভালো।

ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে লেটুসপাতার গুরুত্ব অনেক বেশি।

লেটুসপাতায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া এটি রক্তের  হিমোগ্লোবিন বাড়াতেও সাহায্য করে। অ্যানমিয়া বা রক্তশূন্য রোগীদের জন্য একটি উত্তম খাবার হল লেটুসপাতা।

হাত-পা ফুলে যাওয়া, কিডনির পাথর, কিডনির কার্যহীনতা, মূত্রথলির ইনফেকশন ও কিডনির ব্যথায় বেশ উপকারী লেটুসপাতার পুষ্টি উপাদান।

খুশকি সমস্যার সমাধানে কাজ করে লেটুসপাতা। শ্যাম্পুতে লেটুসপাতা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। রোদে পোড়া ভাব দূর করতে লেটুপসাতা থেঁতলে ত্বকে দিলে ত্বকের উপকার পাওয়া যায়।