রমজানে খাদ্য তালিকায় দই

রমজানে খাদ্য তালিকায় দই

SHARE
mishti-doi-

সুস্বাদু মুখরোচক মিষ্টি হিসেবে খাওয়া হলেও এটি একটি পুষ্টিমানসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর একটি খাবার হল দই। আর তাই রোজা রাখার পর খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত এ খাবারটি নিয়মিত রাখলে পুষ্টিগতভাবে ঠিক থাকবে শরীর। রমজানে খাদ্য তালিকায় দই হতে পারে আপনার পুষ্টির আধার

রোজার সময় শরীরে প্রচুর পানির চাহিদা থাকে। দইয়ে রয়েছে জলীয় ও পুষ্টিগত উপাদান, যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি, দইয়ে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ভিটামিন ‘বি৫’, জিংক, পটাশিয়াম, ফসফরাস, আয়োডিন ও রিবোফ্লাভিন। ইফতারে দই দিয়ে বানাতে পারেন বেশ কয়েকরকম শরবত। তাছাড়া চিড়া-দই খেতে পারেন শরীরে পরিমিত পুষ্টির যোগান পেতে। আসুন জেনে নেয়া যাক খাবারটির আরও কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

উপকারী ব্যাকটেরিয়া

দইয়ে রয়েছে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়াগুলো দেহের ক্ষতি করে না বরং হজমে সহায়তা করে। এ ছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে দইয়ের ব্যাকটেরিয়া।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

নিয়মিত দই খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়া দই দেহের রক্তের শ্বেতকণিকা বাড়িয়ে দেয়, যা জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

হাড় শক্ত করে

দইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’। এ দুটি উপাদানই হাড়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিয়মিত দই খেলে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়।

হজম সহায়ক

অনেকেই হজমের সমস্যার কারণে দুধ খেতে পারেন না কিন্তু দই খেলে সমস্যা হয় না। খাবার সহজে হজম করতে সহায়তা করে দই।

রক্তচাপ কমায়

দইয়ের পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

ত্বকের জন্য উপকারী

দই ত্বক মসৃণ করে। দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বককে পরিষ্কার করে এবং মৃত কোষ দূর করে।

দেহের ছত্রাক প্রতিরোধ

অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ হয়। আর এ ছত্রাকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে দই।

পাকস্থলী ভালো রাখে

পাকস্থলীর নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে দই। বিশেষ করে ল্যাকটোজের প্রতি সংবেদনশীলতা, কোষ্টকাঠিন্য, ডায়রিয়া, কোলন ক্যান্সার ও অন্ত্রের সমস্যা দূর করতে কার্যকর দই।

ওজন কমাতে

নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় দই খেলে দেহের ওজন কমে থাকে। খাবারের সঙ্গে দই খাওয়া হলে তা দেহের চর্বি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে। এতে দেহের চর্বি কমে এবং সার্বিকভাবে ওজন কমাতে সহায়তা করে।