মুখের লোম দূর করার ঘরোরা উপায়

মুখের লোম দূর করার ঘরোরা উপায়

SHARE
Mukher lom

ত্বকের সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল মুখের লোম। অনেকে সারা বছর পার্লারে ছুটেও কোন সমাধান পান না। আর তাদের জন্যই আমাদের আজকের আয়োজন। আজ আমরা জানাবো মুখের লোম দূর করার ঘরোরা উপায় সম্পর্কে-

লেবু ও মধু:

২ টেবিল-চামচ চিনি ও লেবুর রস, ১ টেবিল-চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তিন মিনিট গরম করুন। মিশ্রণটি পাতলা করতে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিন।

মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে ত্বকে অল্প পরিমাণে কর্নস্টার্চ লাগিয়ে তার উপর মিশ্রণটি লোমের বৃদ্ধির দিকে লাগিয়ে নিন। এবার ওয়াক্স স্ট্রিপ দিয়ে উল্টো দিকে টেনে তুলুন।

ত্বকে আর্দ্রতা যোগাতে সাহায্য করে মধু। আর তাই শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

লেবু ও চিনি:

২ টেবিল-চামচ চিনি ও সমপরিমাণ লেবুর রস আট থেকে নয় টেবিল-চামচ পানির সঙ্গে মিশিয়ে গরম করুন। মিশ্রণটি ফুটতে শুরু করলে তাপ বন্ধ করে ঠাণ্ডা করুন। একটি পরিষ্কার স্প্যাটুলা বা চ্যাপ্টা কাঠির সাহায্যে ত্বকের সমস্যাযুক্ত অংশে লাগান। ২০ থেকে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভেজা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চিনি প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে এবং কুসুম গরম চিনি ত্বকে না আটকে লোমের সঙ্গে এঁটে যায়। অন্যদিকে লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। তাই ত্বকের রং উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে। নিয়ম করে ব্যবহারে মুখের ত্বকের লোম হালকা হতে থাকে।

আলু ও ডাল:

১ টেবিল-চামচ মধু, লেবুর রস এবং ৫ টেবিল-চামচ আলুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মসুরডাল মিহি করে পেস্ট করে নিন। এবার সব উপাদান মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে হালকাভাবে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।

এই পেস্ট ত্বকে শুকিয়ে গেলে তা অবাঞ্ছিত লোম তুলে আনতে সাহায্য করে। আলুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। তাই ত্বকের কালচেভাব দূর করে এবং লোমও খানিকটা হালকা করতে সাহায্য করে।

ওটমিল ও কলা:

২ টেবিল চামচ ওটমিল একটি পাকাকলার সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে হাত ঘুরিয়ে লোম বৃদ্ধির উল্টা দিকে মালিশ করুন ১৫ মিনিট। ওটমিলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে পুষ্টি যোগায় ও আর্দ্রতা ধরে রাখে। ত্বকের লোম দূর করার পাশাপাশি ত্বকে দীপ্তি বাড়াবে।