মাস্তানির বদলে আসছে বলো দুগ্গা মাঈকি

মাস্তানির বদলে আসছে বলো দুগ্গা মাঈকি

SHARE
MASTANI-

বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে কলকাতার অঙ্কুশ হাজরা ও নুসরাত জাহান অভিনীত ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ ছবিটি। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (সাফটা) আওতায় ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে এ দেশে। ছবিটি বাংলাদেশে আনছে ‘তিতাস কথাচিত্র’। ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ ছবির পরিবর্তে কলকাতায় মুক্তি পাবে কাজী মারুফ অভিনীত ‘মাস্তানি’ ছবিটি। অর্থাৎ মাস্তানির বদলে আসছে বলো দুগ্গা মাঈকি

বাংলাদেশে ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’র মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশের সিনেমা হলে ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’র মুক্তির জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলাম। গত ১৬ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ে থেকে অনুমতি পেয়েছি। ছবিটি আগামী সপ্তাহে সেন্সর হবে বলে আশা করছি। এরপর মুক্তির প্রস্তুতি নেব।’

মুক্তির তারিখ এখন চূড়ান্ত না হলেও আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘পশ্চিমবঙ্গে দূর্গা পূজা উপলক্ষে গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ মুক্তি পেয়েছে। আমাদের ইচ্ছে আছে নভেম্বরের ৩ তারিখ বাংলাদেশে মুক্তি দেয়ার। তবে আগামী মাসের যেকোনো শুক্রবারই মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।’

কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তী পরিচালনা করছেন ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ ছবিটি। কলকাতার শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস এটি প্রযোজনা করেছে।

এদিকে জানা গেছে, ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ ছবির পরিবর্তে কলকাতায় মুক্তি পাবে বাংলাদেশের ‘মাস্তানি’। কাজী মারুফ ও মৌসুমি হামিদ অভিনীত এ ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফিরোজ খান প্রিন্স। যেটি গেল বছরের ১৯ আগস্ট বাংলাদেশে মুক্তি পায়। ওপারে ছবিটি আমদানি করছেন অজয় এন্টারপ্রাইজ। এর আগে দেব অভিনীত ‘চ্যাম্প’ ছবির বিনিময়ে ছবিটি মুক্তির কথা থাকলেও এপারে ‘চ্যাম্প’ মুক্তি পায়নি বলেই ‘মাস্তানি’-ও ওপারে মুক্তি পায়নি।

সাফটা চুক্তিতে কলকাতার সঙ্গে ছবি বিনিময় নিয়ে অনেক সমালোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। অভিযোগ রয়েছে, ওপার থেকে আসা ছবিগুলো এপারে শতাধিক হলে মুক্তি পেলেও বাংলাদেশের ছবিগুলো কলকাতায় ১০টি হলেও মুক্তি দেয়া হয় না। থাকে না কোনো প্রচার-প্রচারণাও। এ যেন বাংলাদেশে কলকাতার ছবির বাজার তৈরিরই এক কৌশলী প্রচেষ্টা। এ বিষয়ে অনেক আন্দোলন, কর্মসূচি দিয়েও সফল হয়নি চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরা। টনক নড়েনি সরকারেরও।

দেশের সিনেমা চলে না অজুহাত দিয়ে হল মালিকদের চাহিদার কথা বলে চালানো হচ্ছে কলকাতার সুপারস্টারদের নানা ছবি। আর হল বঞ্চিত করা হচ্ছে দেশীয় সিনেমাগুলোকে। চলচ্চিত্রবোদ্ধারা মনে করেন, সরকারের কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এই ছবি বিনিময়ে ভারসাম্য আসবে না।