মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমির খান

মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমির খান

SHARE
Amir khan in sapec

বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। শুধু চরিত্রের চামড়ার মধ্যে ঢুকে পড়াটা কোনদিন যথেষ্ট ছিল না দঙ্গল তারকার কাছে। এবার মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন আমির খান

সম্প্রতি তিনি বলিউডের একমাত্র খান, যিনি শাহরুখ আর সালমানকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন অমরেন্দ্র বাহুবলীর সঙ্গে দৌড়ে! বাহুবলীর পর একমাত্র ‘দঙ্গল’-ই ছুঁয়েছে হাজার কোটির ল্যান্ডমা্র্ক রেকর্ড।

আমির খান এবার নতুন উদ্যমে শুরু করলেন ভারতীয় নভচরী রাকেশ শর্মার জীবনী পড়া। কেননা আমিরের পরবর্তী ছবি যে রাকেশ শর্মার জীবনী নিয়েই! বায়েপিকে নামভূমিকায় অভিনয় করবেন আমির খান। ছবির নাম ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’।

মহাকাশ জয়ের বিশেষ দিনে তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁন্ধীকে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ এই চারটি শব্দ বলেছিলেন রাকেশ, যা আসলে ধ্রুবপদ হয়ে আছে ভারতীয়দের হৃদয়ে। রাকেশের এই বায়োপিক পরিচালনা করছেন মশেশ মাথাই। আর এ ছবিতেও বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে ফতিমা সানা শেখকেও। আমির ও ফাতিমা এখন অমিতাভ বচ্চনের  সঙ্গে ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ ছবিতে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, আমির খান একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্য লেখক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক। হিন্দি চলচ্চিত্রে সফল কর্মজীবনের মাধ্যমে, খান ভারতীয় চলচ্চিত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী অভিনেতা এক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার এবং মনোনয়ন অর্জন করেছেন, এবং ভারত সরকার কর্তৃক ২০০৩ সালে পদ্মশ্রী এবং ২০১০ সালে পদ্মভূষণ পদকে সম্মানিত করা হয়। এছাড়া তিনি মাঝে মাঝে গান গেয়ে থাকেন।[১][২] তিনি নিজস্ব উদ্যোগে চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা আমির খান প্রোডাকশন্‌স প্রতিষ্ঠা করেছেন।

চাচা নাসির হুসেনের ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ (১৯৭৩) ছবিতে একজন শিশুশিল্পী হিসাবে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু হয়। তবে পেশাগতভাবে তাঁর অভিনয় জীবনের সূচনা হোলি (১৯৮৪) ছবির মাধ্যমে। প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবি চাচাতো ভাই মনসুর খানের কেয়ামত সে কেয়ামত তক। এই ছবির জন্য তিনি ‘শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা’ হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার পান। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মোট সাতবার মনোনয়ন পেলেও তিনি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জেতেননি। অবশেষে ১৯৯৬ সালে “রাজা হিন্দুস্তানি” ছবির জন্য তিনি ফিল্ম ফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান।

ভারত সরকার তাকে শিল্পকলার প্রতি তার অবদানসমূহের জন্য ২০০৩ সালে পদ্মশ্রী পদক এবং ২০১০ সালে পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করেন।[ ২০১৩ সালের এপ্রিলে, টাইম ম্যাগাজিনের তালিকার তিনি বিশ্বের ১০০ সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন।