ব্রণের দাগ দূর করতে কার্যকরী মাস্ক

ব্রণের দাগ দূর করতে কার্যকরী মাস্ক

SHARE
acne-pimple

মুখে ব্রণ মানেই সৌন্দর্যের হানি। নানা কারণেই ব্রণ হতে পারে। ব্রন যেকোন বয়সের মানুষের ত্বকেই দেখা দিয়ে থাকে বিশেষ করে টিনএজারদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। এরপর হয়তো একটি সময় ব্রন সমস্যা রোধ হয় কিন্তু পুরোপুরি রোধ হয় না। তৈলাক্ত ত্বকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রন হতে দেখা যায়। ব্রন স্বাভাবিক ভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে থাকে কিন্তু সবচেয়ে বেশি খারাপ তখনই লাগে যখন ব্রণের ক্ষত দাগ আমদের ত্বকে রয়ে যায় যাকে মূলত একনে স্কার বলা হয়। ব্রন হাত দিয়ে খুঁটলে এমন দাগ দেখা দেয় ত্বকে। ব্রণ যে শুধু উঠে সেরে যায় এমন না। চলে গেলেও রেখে যায় দাগ। কখনো বা তৈরি হয় ছোট ছোট গর্ত। ব্রণের কারণে সৃষ্ট কালো দাগ দূর করার জন্য নানা উপায় বেছে নেই আমরা। তার মধ্যে কোনোটি কার্যকর, কোনোটি নয়। ঘরে বসে আপনিও দূর করতে পারেন ব্রণের কালো দাগ। সেজন্য প্রয়োজন কিছুটা সময় ও কিছু যত্নের। চলুন জেনে নেই কিছু কার্যকর উপায়। আজ আমরা জানবো মূলত ব্রণের দাগ দূর করতে কার্যকরী মাস্ক সম্পর্কে-

চন্দনে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোভাল যা ব্রণের দাগ দূর করে। এটি স্কিনকে উজ্জ্বল করে তোলে। গোলাপজল স্কিনের পি এইচ লেভেলকে ব্যালেন্স করে। একটি বাটিতে ১ চা চামচ চন্দন পাউডার, আধ চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। আপনার স্কিন ড্রাই হলে গ্লিসারিন যোগ করতে পারেন। এই মিশ্রণটি ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন।

সুইট আমন্ড অয়েল ত্বকের শুষ্কতা ও ব্রণের দাগ দূর করে। লেবুর রসে স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগকে হালকা করতে সাহায্য করে। অাধ টেবিল চামচ সুইট আমন্ড অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে তা মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিয়ে হবে। আধঘণ্টা পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

কফি পাউডার আমাদের মুখের মরা চামড়া দূর করে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। মধুতে পিম্পলের ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করে। এছাড়াও মধুতে ন্যাচারাল ব্লিচিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগ দূর করে। একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ কফি পাউডার এবং অাধ টেবিল চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে নিয়ে পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে নিয়ে হবে। ১৫ মিনিট পর স্ক্রাবিং করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে হবে।

একটি টমেটো নিয়ে এর পাল্প বের করে নিন। এর সাথে আধ চা চামচ লেবুর রস এবং মধু যোগ করুন। এই মিশ্রণটি ব্রণের দাগের উপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন।

মাস্কগুলো সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে মুখ অবশ্যই পরিষ্কার করে নেবেন। ব্যবহারের পরে টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।