বিনা খরচে ভিটামিন ডি

বিনা খরচে ভিটামিন ডি

SHARE
Vitamin-D

দেহের সুস্থতায় এক অপরিহার্য উপাদান ভিটামিন ডি। স্বাস্থ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে, প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে এবং শক্তিশালী করে। এছাড়া এটি পেশী, দাঁত ও হাড়ের জন্যও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা যায়, ভিটামিন ডি মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, হার্টের রোগ সহ নানা রকম রোগ এবং সেই সাথে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাল ইনফেকশনসহ অনেক রোগের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে করা হয়। হাড় ও দাঁতের সুস্থতাসহ নানা কাজে ভিটামিন ডি এর সরাসরি ভূমিকা রয়েছে। এর অভাবে আবার হতে পারে শারীরিক নানা সমস্যা। এর অভাব পূরণে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- দুধ, মাশরুম, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, মাখন, সূর্যমূখীর তেল ও পনির খাওয়া উচিৎ। তবে সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর অন্যতম একটি উৎস। হালকা রোদে সামান্য ব্যায়াম করলে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ হয়। আসুন জেনে নিই বিনা খরচে ভিটামিন ডি এর উৎস সম্পর্কে-

পোশাক ও সানস্ক্রিন: এগুলোও ত্বকে সরাসরি ভিটামিন ‘ডি’ লাগতে বাধা দেয়। তাই আপাদমস্তক ঢেকে বেরোলে চলবে না। অন্তত হাত-পা বা মুখের কিছু অংশ খোলা রাখুন। মাঝেমধ্যে সানস্ক্রিন ছাড়াই রোদে বেরোতে হবে।

মেলানিন: যাঁরা কালো, তাঁদের ত্বকে মেলানিন নামের রঞ্জক উপাদান বেশি। আর যাঁরা ফরসা, তাঁদের ত্বকে এই উপাদান কম থাকে। মেলানিন অতিবেগুনি রশ্মিকে বাধা দেয়। ফরসা লোকজনের প্রতিদিন ২০ মিনিট রোদে থাকলেই চলে।

সময়: আলোয় বেরিয়ে যখন দেখবেন আপনার ছায়া আপনার তুলনায় ছোট, তখনই সেই আলোতে আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারবে।

কাচ: অতিবেগুনি রশ্মি কাচ ভেদ করতে পারে না। তাই গাড়ি বা ঘরের ভেতর জানালা বন্ধ অবস্থায় রোদ এলেও লাভ নেই, পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘ডি’ মিলবে না।

বায়ুদূষণ ও আবহাওয়া: দূষিত বায়ু, ধোঁয়া ইত্যাদি অতিবেগুনি রশ্মিকে শুষে নেয় বা প্রতিফলিত করে। তাই দূষিত শহরে থাকলে মাঝেমধ্যে একটু দূরের গ্রামে বা আউটিংয়ে যাওয়া উচিত।

বার্ধক্য: বয়স বাড়তে থাকলে ত্বকের ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করার ক্ষমতা কমতে থাকে। আর বয়স্কদেরই কিন্তু হাড় ক্ষয়ের সমস্যা বেশি। তাই বয়স হয়েছে বলেই সারা দিন বাড়ি বসে থাকা ঠিক নয়। নিয়মিত বেরোন এবং গায়ে রোদ লাগান।