ফোক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১ নভেম্বর

ফোক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১ নভেম্বর

SHARE
Folk-festival

এ বছর তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় লোকসংগীতের আসর ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব ২০১৭’। এবারের ফোক গাইবেন বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ইরান, ব্রাজিল, মালী, ফ্রান্স, জাপান প্রভৃতি দেশের ১৪০ জন শিল্পী গাইবেন। ফোক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১ নভেম্বর থেকে

ফোক ফেস্টের আয়োজক প্রতিষ্ঠান সান কমিউনিকেশন আজ রোববার সকালে ঢাকার একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অন্যান্যবারের মতো এবারও দর্শকরা বিনামূল্যে শুধুমাত্র অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আয়োজন করে এই অনুষ্ঠানটি সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশনের জন্য DHAKAINTERNATIONALFOLKFEST.COM ওয়েব সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিট্রেশন শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে, চলবে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

তিন দিনব্যাপী ফোক গানের এই উৎসবে গাইবেন বাংলাদেশের শাহজাহান মুন্সি, আরিফ দেওয়ান, ফকির শাহাবুদ্দিন, শাহ্নাজ বেলী, শাহ আলম সরকার ও আলেয়া বেগম, বাউলা, বাউলিয়ানা। এছাড়া ভারত থেকে গাইবেন পাপন, নুরান সিস্টার্স, বাসুদেব দাস বাউল। মালী’র বিশ্বখ্যাত গ্র্যামী বিজয়ী তিনারিওয়েন ব্যান্ডও থাকছে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে। পাকিস্তান থেকে মিকাল হাসান ব্যান্ড, নেপাল থেকে কুটুম্বা, তিব্বতের ফোক শিল্পী তেনজিন চো’য়েগাল, ইরান থেকে রাস্তাক, ব্রাজিল থেকে মোরিসিও টিযুমবাহ সহ শেকড় সন্ধানী আরো অনেক গায়ক গাইবেন।

মূলত বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে সান কমিউনিকেশন ও মাছরাঙা টেলিভিশন আগামী ৯-১১ নভেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তিন দিনব্যাপী এই লোকসংগীতের আয়োজন করেছে। ওই তিনদিন সন্ধ্যা ৬ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে চলবে রাত দেড়টা পর্যন্ত।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সান কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ও মাছরাঙা টেলিভিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ইস্পাহানী গ্রুপের পরিচালক এমাদ ইস্পাহানী, গ্রীন ডেল্টার পরিচালক ফারজানা চৌধুরী প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, প্রাণের গান, মনের গান এবং অন্তরের গান লোক সংগীতের চর্চা এবং প্রসারের জন্য গত বছর আয়োজন করা হয়েছিল ‘আন্তর্জাতিক লোক সংগীত উৎসব, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট -২০১৫’। বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার এই অসাধারণ উৎসবে অংশ নিয়েছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষ। লোক সংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে সুরের মায়াজালে হারাতে সব বয়সের সংগীতানুরাগীরা ভিড় করেছিল অনন্য এই সংগীত আসরে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে বসতে যাচ্ছে তৃতীয় আসর।