ফাগুনের প্রস্তুতি

ফাগুনের প্রস্তুতি

SHARE
preparation of Fagun

শীতের হাওয়া জানান দিচ্ছে তার বিদায়বার্তা বাজছে বাতাসে। বসন্ত এলো বলে। শীত গেলেও ত্বকে রেখে যাচ্ছে তার রুক্ষতার প্রভাব। আসছে ফাল্গুনে নিজেকে সাজাতে হলে চাই সুস্থ ও সতেজ ত্বক। আর তাই ত্বকের রুক্ষতা দূর করে লাবণ্যময় ত্বক পেতে চাই বাড়তি কিছু যত্ন।

সমপরিমাণ তিলের তেল, গ্লিসারিন ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক সুন্দর ও মসৃণ হয়।

এছাড়া মুলতানি মাটি, কাঁচা হলুদ ও জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে, হাতে ও পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেও সতেজ হবে ত্বক।

ত্বকের ময়েশ্চারাইজ হিসেবে কাজ করে পানি। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে ত্বকের ময়েশ্চারাইজার বজায় থাকবে।

সপ্তাহে একদিন মধু, গ্লিসারিন, লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে লাগাতে পারেন। এই মাস্ক ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজারেরও কাজ করবে।

যাদের হাতের চামড়া অত্যাধিক পরিমাণে রুক্ষ, তারা ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার না করে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। উপকার পাবেন।

গোসলের আগে লেমন ব্যবহার করতে পারেন টারমারিক ক্রিম। এই ক্রিম ত্বককে শুধু নরমই করে না সাথে ত্বকের কালোভাব, সানট্যানের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। সাবান ও ক্লোরিনযুক্ত পানি ব্যবহারের ফলে ত্বকের যা ক্ষতি হয়, তা থেকে ত্বককে রক্ষা করতেও সাহায্য করে এই ক্রিম। কেননা এতে বিদ্যমান হলুদের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান ত্বকে ইনফেকশন প্রতিরোধ করে।

ত্বকে কালো দাগ হলে দাগযুক্ত স্থানে লেবুর রস ও মধু লাগান। লেবুর রস ও মধু ত্বকের কালো দাগ দূর করে।হাত-পায়ে গ্লিসারিন বা লোশন ম্যাসাজ করলে ত্বকের ভিতরে রক্ত-সঞ্চালনে হয় ফলে ত্বক সজীব হয়ে ওঠে।

এছাড়া প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি খান এতেও ত্বক ভালো থাকবে।