পদ্মা সেতু বিষয়ক দুর্নীতির প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত

পদ্মা সেতু বিষয়ক দুর্নীতির প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত

SHARE
Canada court did not find evidence of corruption in the Padma bridge

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র থাকার ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত। এই অভিযোগ তুলেই ঋণ বাতিল করেছিল বিশ্বব্যাংক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই মামলার তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কানাডীয় পত্রিকা দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল।

দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোনে আড়ি পেতে সংগ্রহ করা যে তথ্যে প্রসিকিউশন মামলা সাজিয়েছিল তাকে গাল-গল্প ও গুজব বলে জানিয়েছেন বিচারক।

অব্যাহতি পাওয়া তিন ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার ব্যবসায়ী জুলফিকার আলী ভূঁইয়া, কানাডার প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস।

রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) করা পদ্মা সেতু বিষয়ক দুর্নীতির মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। তবে দুই আসামি মোহাম্মাদ ইসমাইল ও বাংলাদেশের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন চৌধুরীকে আগেই মামলার নথি থেকে বাদ দেয় পুলিশ।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল। ২০১০-২০১১ সালে এসএনসি-লাভালিনের বিরুদ্ধে পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ তদারকির পাঁচ কোটি ডলারের কাজ পেতে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার অভিযোগ উঠে। সম্ভাব্য এই দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১১ সালে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে যায় বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ সরকারও বিশ্বব্যাংককে না বলে দেয়। পরে নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প ‘পদ্মা সেতু’ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয় বাংলাদেশ সরকার।

২০১৪ সালে পদ্মা সেতু নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করে সরকার। গত মার্চে নির্মাণকাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

LEAVE A REPLY