ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকর যে খাবারগুলো

ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকর যে খাবারগুলো

SHARE
Health diet

যতই যত্ন নিন না কেন ডায়েট যদি স্বাস্থ্যকর না হয় তবে কখনই উজ্জ্বল দেখাবে না চুল এবং ত্বক। তাই ডায়েট থেকে প্রথমেই বাদ দিতে হবে এমন খাবার যা ত্বকের ক্ষতি করে। চলুন জেনে নিই ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকর যে খাবারগুলো-

চিনি: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার শুধু যে শরীরের মেদ বাড়ায় তাই নয়, ত্বক শুষ্ক করে দেয়। ফলে চোখের কোণা, কপালে বলিরেখা দেখা দিতে পারে।

লবণ: বেশি লবণযুক্ত খাবার খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে। চোখের চারপাশের চামড়া খুবই পাতলা ও নরম হয়। দ্যা ন্যাশনাল হার্ট লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, দিনে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খেলে চোখের কোণা ফুলে যেতে পারে।  

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহলের নেশায় ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখের কোণায় ফোলা ভাব আসতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবার: এই ধরনের খাবার থেকে অনেক উপকার পাই আমরা। কিন্তু দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে চোখের কোণা ভারি হয়ে যায়, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়।

গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার: গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে ত্বকের ধরন বদলে যেতে পারে। কপাল, গালে লাল লাল অ্যাকেন দেখা দিতে পারে। যেটা গ্লুটেন অ্যালার্জির লক্ষণ।

অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। আর ওজন বৃদ্ধি মানবদেহে তৈরি করে নানা বিধ রোগ। চর্বিযুক্ত খাবার অথবা ভাজা-পোড়া খেলে মানুষ শুধু মোটা হয় তা ই নয়। এসব খবার দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।ফ্রাই করা খাবারে ভিটামিন ই থাকে না। ভিটামিন ই ত্বকের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়া লাল মাংসে থাকে স্যাটুরেটেড ফ্যাট যা কিনা পানির চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। পানি শুন্যতার কারণে ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তবে শরীর এবং ত্বক ভালো রাখার জন্য অবশ্যই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড জাতীয় খাবার খাওয়া খুব জরুরি। কারণ এই ফ্যাটি অ্যাসিড বলিরেখা, রুক্ষ ত্বক প্রভৃতির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

অতিরিক্ত চা ও কফি

পরিমিত চা বা কফি স্বাস্থের জন্য উপকারি। কিন্তু অতিরিক্ত চা-কফি আপনার ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকর। আবার দুধ চা বা ওয়াইট কফিতে চিনি থাকে যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। ক্যাফেইন এক ধরণের উত্তেজক। ক্যাফেইন যুক্ত খাবার খেলে শরীরের করটিসল নামের এক ধরণের উদ্দীপকের উপস্থিতি বেড়ে যায় ফলে ত্বক কালো হয়ে যায়।তাই কাপের পর কাপ চা, কাফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে আপনাকে।