তাজহাট জমিদার বাড়ী

তাজহাট জমিদার বাড়ী

SHARE
তাজহাট জমিদার বাড়ী

রংপুর জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কি.মি দূরে অবস্থিত তাজহাট জমিদার বাড়ি। শ্বেতশুভ্র ও দৃষ্টিনন্দন জমিদার বাড়ীটি বাংলাদেশে যতগুলো সুবিশাল ও অনন্য সুন্দর স্থাপনা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম। স্থাপত্য কৌশলে ঢাকার আহসান মঞ্জিলের সাথে বেশ সাদৃশ্য রয়েছে জমিদার বাড়িটির।

প্রাসাদটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। প্রাসাদটি নির্মাণ করতে প্রায় ১০ বছর সময় লেগেছে। প্রাসাদটির দৈর্ঘ্য ৭৬.২০ মিটার এবং এতে ব্যাবহার করা হয়েছে ইতালি থেকে আমদানিকৃত শ্বেত পাথর।

প্রাসাদটির দোতলায় রয়েছে জমিদারবাড়ির বিরাট সংগ্রহশালা। সংগ্রহশালায় রয়েছে ক্ষুদ্রাকার কোরআন শরিফ, সম্রাট আওরাঙ্গজেবের স্বহস্তে লেখা খুৎবা, কবি শেখ সাদীর স্বহস্তে লেখা কবিতা, শিবলিঙ্গ, কষ্টিপাথরের মূর্তি, শিলামূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, প্রাচীন মুদ্রা, সংস্কৃত ভাষায় লিখিত কিছু চিঠি, শিলালিপিসহ বেশ কিছু চমৎকার সংগ্রহ |

ভবনটিতে মোট ২৮ টি কক্ষ রয়েছে। এখানে রয়েছে একুটি গুপ্ত সিঁড়ি যা ঘাট নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। প্রাসাদ প্রাঙ্গণে রয়েছে নানা ধরনের ফুল ও ফলের গাছ ও একটি দীঘি।

১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই প্রাসাদ রংপুর হাইকোর্ট বা সুপ্রীম কোর্টের শাখা বেঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নত্তত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে ঘোষনা করে।

 

সময়সূচী

গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর)
১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।

শীতকালীন (অক্টোবর-মার্চ)
৯টা থেকে বিকেল ৫টা।

রবিবার পূর্ণ দিবস, সোমবার অর্ধ দিবসসহ সরকারি সব ছুটির দিনে জমিদার বাড়ি জাদুঘর বন্ধ থাকে।