জাপান সাগরে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার

জাপান সাগরে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার

SHARE
North Korea throwing three missiles in the Japan Sea

কমিউনিস্ট রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়া আবারও তিনটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েক মাস ধরে উত্তর কোরিয়া পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে আসছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তারপর থেকেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সামিরক ঘাঁটি থাকা গোয়াম দ্বীপে হামলার কথা বলে আসছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক সূত্র বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উত্তর কোরিয়ার গ্যাংওয়ান প্রদেশ থেকে নিক্ষেপ করা হয় এবং এগুলো প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে।

গত মাসে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পর থেকে পিয়ংইয়ং একাধিকবার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গুয়াম দ্বীপে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। তবে আজ (শনিবার) যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে সেগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা গুয়াম দ্বীপের জন্য কোনো হুমকি ছিল না বলে মার্কিন সামরিক সূত্র জানিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪৯ মিনিটে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। অন্যদিকে মার্কিন সেনাসূত্র জানিয়েছে, পরপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

মার্কিন সেনাবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের প্রধান কমান্ডার ডেভ বেনহাম দাবি করেছেন, প্রথম ও তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্র নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই আকাশে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং প্রথমটি উড্ডয়নের পরপরই ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে ৩০ মিনিট সময় নিয়েছে পিয়ংইয়ং।

সাধারণত কোরীয় উপদ্বীপে যখন দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা যৌথ সামরিক মহড়া চালায় তখন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে উত্তর কোরিয়া। বর্তমানে আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়ায় হাজার হাজার সৈন্য কোরীয় উপদ্বীপে যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে আরো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় কিনা তা দেখার জন্য তারা উত্তর কোরিয়ার দিকে গভীর নজর রাখছেন।

উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরিয়ে নিতে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান চাপ সৃষ্টি করছে।

LEAVE A REPLY