গরমে যা খাওয়া যাবে না

গরমে যা খাওয়া যাবে না

SHARE
Restricted food

এক তো রোজা তার উপর আবার প্রচন্ড গরম। আর তাই এ সময় কিছু খাবার গ্রীষ্মকালে এড়িয়ে চলা ভালো। তাহলে হয়ত অসহ্যকর গরম কিছুটা হলেও সহনীয় থাকতে পারে। আসুন জেনে নিই গরমে যা খাওয়া যাবে না সে সম্পর্কে-

ভাজাপোড়া: নাস্তায় পুরি, শিঙাড়া, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি ভাজাপোড়া খাবারের জন্য মনটা আনচান করতে থাকে। তবে এখানেও চাই সংযম। কারণ শরীরের তাপামাত্রা বাড়াতে এবং গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টিতে খাবারগুলোর খ্যাতি রয়েছে।

মসলাযুক্ত খাবার : ঝাল, মসলাদার, চটপটে খাবার কার না ভালো লাগে। তবে তীব্র গরমে নিজের প্রয়োজনেই সংযম পালন করতে হবে। মরিচ, আদা, গোলমরিচ, জিরা, দারুচিনি ইত্যাদি বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়ায়। ফলে স্বাভাবিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

তৈলাক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড: পকেটে পয়সা থাকলে পুরি, শিঙাড়ায় আর মন ভরে না। চাই বার্গার, পিৎজা ইত্যাদি বিভিন্ন জাঙ্ক ফুড। এতে হজমের সমস্যা দেখা দেয়, বাড়ায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও।

আমিষ: মাংস, ডিম, চিংড়ি, স্কুইড, কাঁকড়া ইত্যাদি শরীরে তাপ উৎপন্ন করে। তাই গরমের দিনগুলোতে এগুলো না খাওয়াই ভালো। পাশাপাশি ডায়রিয়ার বা পাকস্থলিতে অস্বস্তির কারণও হতে পারে খাবারগুলো।

চা-কফি: কাজের প্রয়োজনে কিংবা আড্ডায় বসলে চা-কফির হিসেব থাকে না অনেকেরই। দুটোই শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, তাই গরমে সুস্থ থাকতে চা-কফি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

অ্যালকোহল: ক্যাফেইনের চাইতেও বেশি মাত্রায় শরীর শুষ্ক করে দেয়। এর চেয়ে মজাদার ঠাণ্ডা পানীয় বা শরবত পান করে উৎসব উদযাপন করুন।

শুকনা ফল: প্রচুর পুষ্টিগুণের পাশাপাশি প্রচুর তাপও থাকে। তাই এগুলোও যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

আম: গ্রীষ্মকাল অনেকগুলো প্রিয় ফল নিয়ে আসে। যার মধ্যে সম্ভবত আম সবচাইতে কাঙ্ক্ষিত। তবে খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে নজর দিতে হবে। তিন বেলায় কিংবা কয়েক ঘণ্টা পর পর একটি করে আম খেলে শরীরের জন্য ভালো। তবে কয়েকটি আম একবারে খেয়ে ফেললে পেট খারাপ হতে পারে। অতিরিক্ত আম খেলে শরীরের গরমের কারণে ব্রণ হতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের।

চিজ দেওয়া সস: সকল প্রকার চিজ বা পনির সমৃদ্ধ সস থেকে দূরে থাকতে হবে গরমের দিনগুলোতে। কারণ এগুলোতে থাকে প্রায় ৩৬০ ক্যালরি। আর খাওয়ার পর শরীর ছেড়ে দেওয়ার মতো অনুভূতি হয়। সসের পরিবর্তে সতেজ ফল ও সবজি কিংবা সালাদ বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে টমেটো আদর্শ বিকল্প।

আইসক্রিম: গরমে আইসক্রিম খাবেন না শুনে আক্কেল গুড়ুম! তবে জেনে রাখুন ঠাণ্ডা আইসক্রিম সাময়িক প্রশান্তি দেয় ঠিকই। তবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও বেশিরভাগ আইসক্রিমেই থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি। আর এর স্বর্গীয় স্বাদের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে ‘স্যাচারেইটেড ফ্যাট’ থেকে। তাই আইসক্রিম খাওয়া কমাতে হবে।