কাজুবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাজুবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা

SHARE
Kazubadam-health

কেক কিংবা চকোলেট, পায়েস হোক বা চাটনি, সব কিছুতেই কাজুবাদাম আমাদের খুব পছন্দের। তবে কাজুবাদাম যে শুধুমাত্র স্বাদের জন্য খাওয়া হয় তা কিন্তু নয়। কাজুবাদামের অনেক গুণাগুণ রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি রয়েছে। ডায়টিশিয়ান, নিউট্রিশিয়ান এবং সমস্ত চিকিৎসকরাই শরীরের জন্য কাজুবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন। কাজুবাদাম যে কোন খাবারের স্বাদ অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এই বাদামে প্রচুর পরিমানে মিনারেল, ভিটামিন এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টস রয়েছে। আসুন জেনে নিই কাজুবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করে : কাজুবাদামে উচ্চমাত্রার কপার থাকে। এ কারণে এনজাইমের কাজে, হরমোনের উৎপাদনে এবং মস্তিষ্কের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ বাদাম। এ ছাড়া লাল রক্তকণিকা উৎপাদনেও সাহায্য করে এটি। ফলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে : কাজুবাদামে ভালো ফ্যাট থাকে এবং এতে কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে। দেহের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে এই বাদাম। এতে রয়েছে অলেইক এসিড, যা হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে : কাজুবাদামে সোডিয়াম কম থাকে। বেশি থাকে পটাসিয়াম। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সহজেই।

হাড় ও মাংসপেশি সবল করে : কাজুবাদাম ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ, যা সুগঠিত হাড়, মাংসপেশি ও স্নায়ুর জন্য খুবই দরকারি। মানুষের শরীরে দিনে ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয় হাড়ের ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় : এই বাদামে সেলেনিয়াম ও ভিটামিন ‘ই’ আছে, যা ফ্রি র?্যাডিক্যালের জারণ প্রতিরোধ করে। ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। পাশাপাশি বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কাজুতে প্রচুর জিংক থাকে বলে ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ সহজ হয়।

সতর্কতা : কাজুবাদামে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি রয়েছে। তাই দৈনিক পাঁচ থেকে দশটির বেশি এই বাদাম খাওয়া ঠিক নয়। যাদের অ্যালার্জি কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যা আছে, তাদের না খাওয়াই ভালো। আবার হাইপারটেনশনের রোগীদের লবণযুক্ত কাজুবাদাম খাওয়া ঠিক হবে না।