ইদের কেনাকাটা – প্রথম পর্ব

ইদের কেনাকাটা – প্রথম পর্ব

SHARE
Eid Shopping
শপিং নিয়ে ব্যস্ত রমণীরা

ঈদ ঘনিয়ে আসছে তাই সবাই ইদের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাসাধারণ পাশাপাশি বিক্রেতারা বিভিন্ন রকম দেশিও পোশাকের মনোরম ডিজাইনার নিয়ে বসেছেন ভালো দামে বিক্রির উদ্দেশ্য নিয়ে।ঈদ নিয়ে যেমন নারীর পূর্ণতা পায় শাড়িতে তেমনি পুরুষের পূর্ণতা পায় পায়জামা-পাঞ্জাবিতে।সরেজমিনে বিভিন্ন শপিং মল ঘুরে দেখা গিয়েছে কোথাও হাটার ঠাই নেই বলা চলে লোকে লোকে লোকারণ্য।

নারীরা খুজে খুজে দেখে কিনছেন শাড়ি ও থ্রী পিছ সহ আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র যেমন ম্যাচিং জুয়েলারি,জুতা,ম্যাকআপ সামগ্রী যা তাকে দেখাবে পরিপূর্ণ বাঙ্গালী  নারীর প্রতিচ্ছবি।পাশাপাশি ছেলেরা কিনছে নতুন ডিজাইনার এর তৈরি পোশাক যেমন পায়জামা পাঞ্জাবি,জুতা,শার্ট,প্যান্ট যাতে তাকে দেখাবে আকর্ষণীয়।বাবা-মা এর সাথে আশা বাচ্চারা খুজছে তাদের সবচেয়ে পছন্দের পোশাকটি কারন ঈদ ত তাদেরই।বাবা-মা ও তাদের বাচ্চার জন্য আকর্ষণীয় পোশাকটি কিনতে ঘুরছেন এই দোকান থেকে অন্য দোকানে।দেখা গিয়েছে,বাবা-মা একটি কিনলেও বাচ্চা ২-৩ টি বায়না করলে কিনে দিতে হচ্ছে।

বোন বোনের জন্য পোশাক পছন্দ করেছে
বোন বোনের জন্য পোশাক পছন্দ করেছে

যারা সারাদিন কেনাকাটা করে ব্যস্ত সময় পার করেছেন ইফতারে দেখা মিলবে কোন ইফতারি সামগ্রীর দোকানে।তাদের রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের বিক্রি এবং মুনাফা কয়েকগুন বেড়ে গিয়েছে এই সময়ে।হরেক রকম ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন সেই দুপুর থেকে এবং বিক্রিও ভালো হচ্ছে।এক বিক্রেতা জানান, “এবছর বিক্রি ভালো হচ্ছে এবং আমরা পুরান ঢাকার নতুন অনেক লোভনীয় মেন্যু যোগ করেছি পাশাপাশি যারা এখানে বসে খেতে চান তাদের জন্য রয়েছে প্যাকেজের সুবিধা,যেকেও ইচ্ছামত খেতে পারবেন”

ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা তাদের ক্রেতাদের অর্ডারের পোশাক ডেলিভারি দেয়ার জন্য দেখা গিয়েছে সকাল থেকে টানা রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে এই সময়ে তাও যেন শেষ করতে পারছেনা।জুতা ছাড়া ঈদ অনেকের অসম্ভব হয়ে গিয়েছে তাই জুতার দোকানে গিয়ে দেখা যায় কেও ব্যস্ত পছন্দ করতে কেওবা সাইজ ঠিক আছে কিনা তা দেখছেন।আবার কেও জুতা পছন্দ করেই ছুটছেন অন্য দোকানে পছন্দের জিনিশ কিনার জন্য।