অবশেষে ঘর ভাঙলো তাহসান-মিথিলার

অবশেষে ঘর ভাঙলো তাহসান-মিথিলার

SHARE
Tahsan-Mithila-Divorce

বাংলার জাস্টিন বিবার নামেই সমধিক পরিচিত, বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার, গিটার বাদক, কী-বোর্ড বাদক, অভিনেতা, মডেল এবং উপস্থাপক তাহসান রহমান খান। অন্যদিকে রাফিয়াত রশিদ মিথিলা একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, অভিনেত্রী এবং মডেল। দীর্ঘ আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে ঘর ভাঙছে তাহসান-মিথিলার। আজ ২০ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তাহসান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ডিভোর্সের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। অবশেষে ঘর ভাঙলো তাহসান-মিথিলার

তাহসান তার ভ্যারিফায়েড পেজে লিখেছেন, আমরা বেশ কয়েক মাস থেকেই আলাদা থাকছি। গত কয়েকমাস ধরেই বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছিলাম। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম কোন চাপে না থেকে আলাদা থাকার। আমরা জানি আমাদের এই সিদ্ধান্তে অনেকে ব্যথিত হবেন। সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

তিনি আরও লিখেন, আমরা সব সময়ই আমাদের সম্পর্কটা ভালোবাসা ও নীতিবোধের মধ্যে রেখেছিলাম। আশা করবো এই সিদ্ধান্তের পরও সেটা অব্যহত থাকবে। আমাদের এই কঠিন সময়ে আমাদের ভক্তরা আমাদের সাথে থাকবেন বলেই বিশ্বাস করি আমরা।’

এদিকে গত ২১ জুন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়.কমকে নিজেদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন বিষয়ে মিথিলা বলেছিলেন, তাদের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে মিডিয়ার মাথা না ঘামালেও চলবে।

তিনি বলেছিলেন,’কে কি বললো ওগুলো নিয়ে আমি একদমই ভাবি না। মানুষের কথা শোনার সময় আমার নেই। তারা তো কত কথাই বলবে! আমার লাইফ একটা রুটিনে চলে। আমি আমার কাজ আমি করে যাচ্ছি। আমি শুধু সবাইকে এটাই বলব, আমার যদি কিছু বলার থাকে আমরা সোচ্চার হয়ে সবলভাবে বলব। কেনো লুকোছাপার কিচ্ছু নেই। এ নিয়ে এতো মাথাব্যথার কোনো কারণ নেই। যাদের বিষয়ে কথা হচ্ছে, আমার মনে হয় মাথাব্যথাটা তাদেরই হওয়া উচিত। বাকি মানুষদের এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা না করলেও চলবে। তাদের (তাহসান-মিথিলা) যদি কিছু বলার থাকে, যখন সময় হবে তারাই সব বলবে। যখন সময় হবে কি সত্যি না মিথ্যা সেটা সবাই জানতে পারব। আমি এমন একটা মানুষ যে ফেইক একটা লাইফ লিড করতে পারি না। আর কোনো মিথ্যার আশ্রয়ে আমি এমনিতেও থাকব না।’

এতোদিন শুধুই তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেলেও অবশেষে এটি সত্যি হচ্ছে। গত কয়েক মাস ধরে একসঙ্গে থাকছেন না তাহসান ও মিথিলা। জানা গেছে, খুব শিগগিরই তাদের ডিভোর্স এর আনুষ্ঠানিকতা হবে। ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করেই এতদিন চুপ ছিলেন তারা। তাহসান-মিথিলার ঘরে রয়েছে তাদের একমাত্র কন্যা সন্তান আয়রা। মিথিলার কাছেই থাকে আয়রা।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াকালে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেন মেধাবী ছাত্র তাহসান। সে সময় মিথিলার সঙ্গে পরিচয় তার। এরপর তাহসানের মনের ঘরে বাঁধা পড়েন মিথিলা। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট এক সুতোয় বাঁধা পড়েন তাহসান-মিথিলার জীবন।